হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের ৩ জাহাজ

Megna Tv

১৯ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬


#
সংগৃহীত ছবি

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানান, সংশ্লিষ্ট সকলপক্ষ সঙ্গে সমন্বয়ের পর সম্প্রতি তিনটি চীনা জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। একই সঙ্গে তিনি উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতার আহ্বান জানান।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং মঙ্গলবার এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে।

জাহাজগুলোর যাতায়াতের খবর প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী এবং এর পার্শ্ববর্তী জলরাশি বিশ্ব বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ। চীন অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, লড়াই বন্ধ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানাচ্ছে।’

তবে মাও নিং চীনা জাহাজগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

জাহাজ-ট্র্যাকিং ডেটা থেকে দেখা গেছে, শুক্রবার ফিরে যাওয়ার পর উপসাগর ছাড়ার দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সোমবার দুটি চীনা কন্টেইনার জাহাজ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে।

মেরিনট্র্যাফিক প্ল্যাটফর্মের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজগুলো প্রণালী থেকে বেরিয়ে খোলা সমুদ্রে প্রবেশ করে।

মেরিনট্র্যাফিকের মালিক কেপলারের ডেটা বিশ্লেষক রেবেকা গারডেস বলেন, ‘জাহাজগুলো আজ দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সফলভাবে পারস্য উপসাগর অতিক্রম করেছে, যা সংঘাত শুরুর পর ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ ব্যতীত পারস্য উপসাগর ত্যাগকারী প্রথম কন্টেইনার জাহাজ।"

‘এই মুহূর্তে জাহাজগুলো উচ্চ গতিতে ওমান উপসাগরের দিকে এগিয়ে চলেছে।’

জাহাজগুলোর পরিচালনাকারী চীনের শিপিং গ্রুপ কসকোর কর্মকর্তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কসকো ২৫শে মার্চের এক গ্রাহক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল যে, তারা এশিয়া থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে, যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত এবং ইরাক অন্তর্ভুক্ত, সাধারণ কার্গো কন্টেইনারের বুকিং পুনরায় শুরু করেছে।

ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে এবং আরও হামলার হুমকি দিয়েছে, যার ফলে উপসাগরের ভেতরে শত শত জাহাজ এবং ২০,০০০ নাবিক আটকা পড়েছেন।

সৌদি আরব থেকে অপরিশোধিত তেল এবং কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসসহ জ্বালানি রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

যদিও প্রণালীটি দিয়ে তাদের নৌবহর পার করার বিষয়ে ইরান এবং ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর সাথে কিছু আলোচনা হয়েছে, তেল ও ট্যাংকার বাজারগুলো জাহাজ চলাচল আবার গতি পাওয়ার কোনো লক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছে।

এই জলপথ দিয়ে পার হওয়া অধিকাংশ জ্বালানি চালানই ইরানের তেল রপ্তানি সম্পর্কিত, এবং প্রতিদিন আরও কয়েকটি জাহাজ চলাচল করতে সক্ষম হয়েছে।

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন  

সর্বশেষ

Link copied