ইমরান খানকে সামরিক আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখি করার ইঙ্গিত সেনাবাহিনীর
৯ দিন আগে মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২৬
ফাইল ছবি
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সামরিক আইনের আওতায় বিচারের মুখোমুখি করার ইঙ্গিত দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির আশায় যাঁরা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ব্যবহার করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে তারা।
গতকাল বৃহস্পতিবার(৫ই সেপ্টেম্বর) পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। পাকিস্তানের সেনা সদর দপ্তরে আন্তবাহিনী জনসংযোগ (আইএসপিআর) কার্যালয়ে ওই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।
সাংবাদিকদের আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, ‘সামরিক আইনে বলা আছে, কেউ যদি আর্মি অ্যাক্টের সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত কিংবা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করেন কিংবা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে আহমেদ শরিফ চৌধুরীর কাছে ইমরান খানকে সামরিক বিচারের মুখোমুখি করার সম্ভাবনা আছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। তবে প্রশ্নটি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এই সেনা কর্মকর্তা। তিনি বলেন, এটি বিচার-বিবেচনার বিষয়। সাংবাদিকের এ ধরনের প্রশ্নকে পূর্বানুমান বলে উল্লেখ করেন। তবে কোন পরিস্থিতিতে সামরিক আইনের আওতায় বেসামরিক ব্যক্তির বিচার করা যেতে পারে, তা উল্লেখ করেছেন এ সেনা কর্মকর্তা।
সামরিক আইনের আওতায় ইমরান খানকে বিচারের মুখোমুখি করা হতে পারে বলে দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। সম্ভাব্য কোর্ট মার্শাল ঠেকাতে তিনি ইসলামাবাদ হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চাওয়ার পর এ গুঞ্জন আরও জোরালো হয়ে ওঠে। ৯ মের সহিংসতার ঘটনায় সামরিক আইনে বিচারের মুখোমুখি করার আশঙ্কায় ইমরান খান ওই আবেদন করেছিলেন। ৯ মের ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইমরান খানের উদ্বেগ বেড়ে যায়। এমনও গুঞ্জন আছে যে গোয়েন্দাপ্রধান ফয়েজ হামিদ তাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারেন।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের আইনবিষয়ক মুখপাত্র আকিল মালিকও বলেছেন, ৯ মের সহিংসতার ঘটনায় পাকিস্তান আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২-এর আওতায় ইমরানের বিচার হতে পারে।