দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইতে গিয়ে গৃহবধূকে ‘শ্লীলতাহানির’ অভিযোগ
১৯ দিন আগে
শুক্রবার, জুলাই ৩১, ২০২৬
সংগ্রহ
টাঙ্গাইলে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইতে গিয়ে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ভূঞাপুর উপজেলার মেঘার পটল গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চারজনকে অভিযুক্ত করে ভুক্তভোগীর স্বামী টাঙ্গাইল যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলেন: একই এলাকার ইব্রাহীমের ছেলে শহিদুল (৩০), আনোয়ার হোসেনের ছেলে সোহেল (২৫), আলী আকবর মুন্সির ছেলে এনামুল (৩২) এবং আকবর ফকিরের ছেলে আল আমিন (৩০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুরের মেঘারপটল গ্রামের নাজমুলের বাড়িতে একই এলাকার শহিদুলসহ চারজন ভোট চাইতে যান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় ওই গৃহবধূ তাদের চলে যেতে বলেন। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেন। এ সময় গৃহবধূ ভোটার না এবং তার পরিবারের সবাই ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেবেন জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে শহিদুল নামের একজন হঠাৎ ওই গৃহবধূকে জড়িয়ে ধরে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্যরাও তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। এ সময় কাউকে এ বিষয়ে জানালে গৃহবধূকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুরের মেঘারপটল গ্রামের নাজমুলের বাড়িতে একই এলাকার শহিদুলসহ চারজন ভোট চাইতে যান। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় ওই গৃহবধূ তাদের চলে যেতে বলেন। এক পর্যায়ে অভিযুক্তরা তাকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেন। এ সময় গৃহবধূ ভোটার না এবং তার পরিবারের সবাই ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেবেন জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে শহিদুল নামের একজন হঠাৎ ওই গৃহবধূকে জড়িয়ে ধরে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। অন্যরাও তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের চেষ্টা চালান।
এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে আশপাশের লোকজন আসলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। এ সময় কাউকে এ বিষয়ে জানালে গৃহবধূকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেরাজুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।