মাইক্রোবাসে তুলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, তরুণদল নেতাসহ দুইজন গ্রেপ্তার
৪ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬
সংগৃহীত ছবি
রাজবাড়ীর পাংশায় মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নিয়ে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন।
গ্রেপ্তাররা হলো, পাংশা উপজেলার কুলাটিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান রাজার ছেলে ও পাংশা পৌর তরুণদলের সভাপতি হাসিবুর রহমান অন্তর (৪০), পারনারায়নপুর গ্রামের মো. তায়জাল মুন্সির ছেলে মো. বরকত মুন্সী (৩৪)।
মামলা সূত্রে জা নাগেছে, গত ৩০ মার্চ বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় হাসিবুর রহমান অন্তর ও মো. বরকত মুন্সীসহ অপরাপর আসামিরা পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে বাসের জন্য অপেক্ষামান নারীকে একটি মাইক্রোবাসে করে উঠিয়ে নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। ওই নারীকে অসুস্থ অবস্থায় কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ওই নারী নিজেই পাংশা মডেল থানায় তিন জনের নাম উল্লেখ করেন মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গত শনিবার ৩১ মার্চ রাতেই মামলার ২ নং আসামি রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদকে (৪০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর পর থেকে ওই মামলার বাকি ২ আসামি আত্মগোপনে চলে যায়। গত মঙ্গলবার পাশের জেলা কুষ্টিয়া থেকে ওই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।
র্যাব-১০ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় আসামি হাসিবুর রহমান অন্তর ও মো. বরকত মুন্সীকে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় কুষ্টিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের পাংশা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|
উল্লেখ্য, গত সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে ভুক্তভোগী নারী পাংশা মৈশালা বাস স্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। এসময় আসামিরা একটি হায়েচ মাইক্রোর মধ্যে ও নারীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে ঘোরাঘুরি করতে থাকে এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে রাত ৭ টার দিকে ভুক্তভোগী নারীকে কুষ্টিয়া সদর থানা এলাকায় একটি ফাঁকা জায়গায় নামিয়ে চলে যায়।