কুমিল্লা কোটবাড়ী এলাকায় জোড়পূর্বক জায়গা দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ
১৪ দিন আগে বৃহস্পতিবার, জুন ১৮, ২০২৬
সংবাদ সম্মেলন শেষে স্থানীয় নারী পুরুষ তাদের ভূমি দস্যুতা ও মিথ্যা মামলাসহ নানা রকমের ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পেতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনের একাংশ।
কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা কোটবাড়ী চাঙ্গিনী এলাকায় একাধিক পরিবারকে মিথ্যা মামলা ও বিক্রিত জায়গা জোড়পূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে জসিম আহমেদ ও তার স্ত্রী দিল আফরোজা রত্নার বিরুদ্ধে। আজ ( ৭ সেপ্টেম্বর) রবিবার বিকেলে নগরীর ২৩ নং ওয়ার্ড চাঙ্গিনী এলাকায় স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন একাধিক ভোক্তভোগীরা। তাদের দাবী জসিম আহমেদ ও তার স্ত্রী দিল আফরোজা রত্না এলাকাবাসীকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী ও ভূয়া কাগজপত্র দেখিয়ে প্রভাব বিস্তার করে স্থানীয়দের জমি দখলের চেষ্টা করে। নানার ওয়ারিসী সম্পত্তি বিক্রি করে এখন স্থানীয়দের সাথে ঝামেলা শুরু করেছে। যার কারনে এলাকাবাসী তাদের এমন অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে চায়।
ভোক্তভোগী খন্দকার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ জানান, আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি বন্টননামা থাকলেও সে মিথ্যা ও প্রতারনার করে আমাকে হয়রানী করার জন্য আমাকে বাধাঁ দিচ্ছে। আমার নামে খারিজ খতিয়ান ও জমির সকল কাগজপত্র থাকার পরেও সে আমার জমি ভরাট না করতে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে আমি এলাকাবাসীর কাছে সামাজিক ভাবে শালিসী দরবার করলে সকলের সিদ্ধান্তে মেনে নেই। সে শর্তে আদালতে দায়ের করা মামলাও তুলে নেই। মামলা তুলে আনার পর সে এখন উল্টো গ্রামের মানুষসহ সবাইকে হয়রানী করছে। তাদের স্বামী/স্ত্রী দুইজনই বিভিন্ন প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে এলাকাবাসীকে হয়রানী করছে। তাদের এখানে কোন পৈত্রিক বা ক্রয়কৃত সম্পত্তিও নেই। তারা নানার বাড়ীর অংশিদার হিসেবে যতটুকু সম্পত্তি পাওয়ার তাহা ভোগ দখল করেছে, কিছু সম্পত্তি বিক্রিও করেছে, এখন অযুক্তিক ভাবে আমাকে ও এলাকার আরো কয়েকজনকে হয়রানী করছে।
ফারুক
খন্দকার জানান, আমার নিজের বাড়ীর সাইট ওয়াল ভেঙ্গে জোড়পূর্বক রাস্তা নির্মাণ করার পায়তারা
করছে, আমি প্রতিবাদ করলে আমাকে ক্রস ফায়ার দিয়ে হত্যার হুমকি দেয়, কোন মামলা ছাড়াই
আমার বাড়ীতে আমাকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ পাঠায় ভূমি দস্যু ও প্রতারক
অপর ভোক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন জানান, আমার স্ত্রী শর্মিলা আক্তারের নামে ন্যার্যমূল্যে ক্রয়কৃত ৯ শতক জমি তার বোন থেকে ক্রয় করি, জমির সকল কাগজপত্র আমার ওয়াইফের নামে থাকার পরেও সে রাতের আধাঁরে জমির উপর পুকুর করে মাছ চাষ করে ভোগদখল করে আসছে জসিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী দিল আফরোজা রত্না। আমি আদালতে আইনের আশ্রয়ে মামলা করি। মামলা টি এখনো চলমান রয়েছে। আমি এই দখলবাজ ও ভূমিদস্যুর হাত থেকে মুক্তি পেতে চাই।
পরে সংবাদ সম্মেলন শেষে স্থানীয় নারী পুরুষ তাদের ভূমি দস্যুতা ও মিথ্যা মামলাসহ নানা রকমের ষড়যন্ত্র থেকে মুক্তি পেতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন।